This is this sidebar for a particular page. It can be edited by editing a page from within the control pannel.

অনেক গবেষকের মতে যীশুর জন্ম সম্ভবত খ্রিস্টপূর্ব ৬ থেকে ৪ সালের মধ্যে হয়েছিল। কারণ তাঁর জন্মের সময় Herod the Great জীবিত ছিলেন, আর ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী হেরোদ খ্রিস্টপূর্ব ৪ সালে মারা যান।
সুসমাচারগুলোতে যীশুর জন্ম এবং ১২ বছর বয়সে মন্দিরে শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করার একটি ঘটনার উল্লেখ আছে। কিন্তু ১২ থেকে প্রায় ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত তাঁর জীবনের বিস্তারিত বিবরণ পাওয়া যায় না। এই সময়কে অনেকেই "নীরব বছর" বলে থাকেন।
যীশুর পালক পিতা Saint Joseph ছিলেন একজন কারিগর। ব্যবহৃত গ্রিক শব্দের অর্থ শুধু কাঠমিস্ত্রি নয়, বরং নির্মাণকাজে দক্ষ কারিগরও হতে পারে।
গবেষকদের ধারণা, তিনি দৈনন্দিন জীবনে আরামাইক ভাষায় কথা বলতেন। পাশাপাশি হিব্রু ভাষা ধর্মীয় কাজে এবং কিছুটা গ্রিক ভাষাও জানতেন।
যীশু জটিল আধ্যাত্মিক সত্য সহজভাবে বোঝানোর জন্য গল্প বা উপমা ব্যবহার করতেন। যেমন বীজ বপনকারী, হারিয়ে যাওয়া ভেড়া এবং দয়ালু শমরীয়ের উপমা।
তৎকালীন সমাজে উপেক্ষিত ও প্রান্তিক মানুষদের সঙ্গে যীশুর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। তিনি দরিদ্র, অসুস্থ, কর আদায়কারী এবং সমাজচ্যুত মানুষদের সঙ্গেও সময় কাটাতেন।
যীশুর বারোজন শিষ্যের মধ্যে জেলে, কর আদায়কারী এবং অন্যান্য পেশার মানুষ ছিলেন। এটি দেখায় যে তাঁর আন্দোলন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষকে আকৃষ্ট করেছিল।
বাইবেলে তাঁর শারীরিক চেহারার বিস্তারিত বিবরণ নেই। ফলে শিল্পকর্মে যীশুর যে চিত্র দেখা যায়, তা মূলত শিল্পীদের কল্পনা ও সাংস্কৃতিক প্রভাবের ফল।
ক্ষমা, ভালোবাসা, দয়া এবং সেবার মতো মূল্যবোধ বিশ্বের বহু সংস্কৃতি, আইনব্যবস্থা এবং মানবিক আন্দোলনের ওপর প্রভাব ফেলেছে।
ইতিহাসবিদ, ধর্মতত্ত্ববিদ এবং প্রত্নতত্ত্ববিদরা আজও যীশুর জীবন, তাঁর সময়ের সমাজ এবং তাঁর শিক্ষার প্রভাব নিয়ে গবেষণা করে চলেছেন।
যীশুর জীবন শুধু ধর্মীয় বিশ্বাসের বিষয় নয়; এটি ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং মানবিক মূল্যবোধেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাঁর জীবন সম্পর্কে যত বেশি গবেষণা হয়েছে, ততই নতুন প্রশ্ন ও আলোচনার জন্ম হয়েছে, যা তাঁকে আজও বিশ্বব্যাপী আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু করে রেখেছে।